ডিএনএ সিকোয়েন্সের সাদৃশ্য শনাক্তে বাকৃবিতে অ্যালাইনমেন্ট মুক্ত উন্নত সফটওয়্যার উদ্ভাবন
বাকৃবি প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০২ নভেম্বর ২০২৬ | ২৩:৫১ | আপডেট: ০২ নভেম্বর ২০২৬ | ২৩:৫১
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) 'ডিএনএ সিকোয়েন্স সাদৃশ্য শনাক্তকরণের জন্য গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস ভিত্তিক ডেস্কটপ সফটওয়্যার উন্নয়ন' শীর্ষক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ম্যাথমেটিক্স বিভাগের আয়োজনে এ কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সোমবার (২ নভেম্বর) কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অফিস ভবনের সম্মেলন কক্ষে এ কর্মশালার আয়েজন করা হয়।
কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ম্যাথমেটিক্স বিভাগের প্রধান মো. সাইদ ইফতেখার ইউসুফের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ। এ ছাড়া অনুষদের অন্যান্য শিক্ষক এবং বিভিন্ন লেভেলের শিক্ষার্থীবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।
কর্মশালার প্রধান উপস্থাপক এবং প্রকল্পের প্রধান গবেষক কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ম্যাথমেটিক্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মেছবাহ উদ্দিন বলেন, ডিএনএ সিকুয়েন্সের মধ্যে সাদৃশ্য দ্রুত ও দক্ষতার সঙ্গে শনাক্ত করার জন্য একটি কার্যকর ও ব্যবহারবান্ধব গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস (জিইউআই) সমৃদ্ধ ডেস্কটপ সফটওয়্যার এটি। জীববিজ্ঞান, বায়োইনফরমেটিক্স, জিনোমিক্স এবং কম্পিউটেশনাল বায়োলজির গবেষণায় ডিএনএ সিকুয়েন্সের তুলনা ও বিশ্লেষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ প্রকল্পটিতে অ্যালাইনমেন্ট মুক্ত উন্নত অ্যালগরিদম ও সফটওয়্যার প্রযুক্তি প্রয়োগ করায় এটি দ্রুত, সহজ ও কার্যকর ফলাফল প্রদান করতে সক্ষম।
প্রকল্পটি দেশের বায়োইনফরমেটিক্স গবেষণা, ডিএনএ সিকুয়েন্স বিশ্লেষণ এবং জীববৈজ্ঞানিক তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সফটওয়্যার উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক আব্দুল মজিদ বলেন, এই প্রজেক্টে যে সফটওয়্যারটি তৈরি করা হয়েছে তা শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। ফলে তারা নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী সফটওয়্যারটি ব্যবহার, পরিমার্জন ও হালনাগাদ করতে পারবে। লক্ষ্য রাখতে হবে, সফটওয়্যারটির ব্যবহার শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে হবে। গবেষণার ফলাফলকে কার্যকরভাবে এবং বাস্তবিক উপায়ে কাজে লাগাতে পারলেই গবেষণার প্রকৃত সাফল্য পাওয়া যাবে । পাশাপাশি ভবিষ্যতে এর মাধ্যমে পেটেন্ট অর্জনের জন্য চেষ্টা করতে হবে।
উল্লেখ্য, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্ভাবনী অনুদানের অর্থায়নে প্রকল্পটি সম্পন্ন হয়। প্রকল্পটি শুরু হয় ২০২৫ সালের জুলাই হতে।
