সিকৃবিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব ভেটেরিনারি দিবস-২০২৬ উদযাপন
ছবি। কৃষি বার্তা
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ৩০ এপ্রিল ২০২৬ | ২০:০৭ | আপডেট: ৩০ এপ্রিল ২০২৬ | ২০:০৭
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (সিকৃবি) তে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব ভেটেরিনারি দিবস-২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দিবসটি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি ও কেক কাটার আয়োজন করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মোঃ আলিমুল ইসলাম-এর নেতৃত্বে র্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে গিয়ে শেষ হয়। র্যালিতে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, দপ্তর প্রধান, হল প্রভোস্ট, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। শিক্ষার্থীরা প্ল্যাকার্ড, ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে ভেটেরিনারি পেশার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
র্যালি শেষে ভেটেরিনারি, এনিমেল ও বায়োমেডিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সহযোগিতা করে কাজী ফার্মস, আস্থা ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, ডক্টরস এগ্রোভেট লিমিটেড, ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড এবং একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড।
বিশ্ব ভেটেরিনারি দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ড. মোঃ মুক্তার হোসেন-এর সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য ড. মোঃ আলিমুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার ড. এ.টি.এম. মাহবুব-ই-ইলাহী, অনুষদের ডিন ড. এ. এস. এম. মাহবুব, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. জসিম উদ্দিন আহাম্মদ এবং সিলেট বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরিচালক ড. আবু জাফর মোঃ ফেরদৌস।
আলোচনা সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক ও বাংলাদেশ ভেটেরিনারি অ্যাসোসিয়েশন-এর আহ্বায়ক ডা. সফিউল আহাদ সরদার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, ভেটেরিনারিয়ানরা সমাজের ‘নীরব অভিভাবক’। তারা শুধু প্রাণীর চিকিৎসাই করেন না, বরং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, রোগ প্রতিরোধ, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং টেকসই কৃষি ব্যবস্থার অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেন। বর্তমান বিশ্বে জুনোটিক রোগ, খাদ্য নিরাপত্তা সংকট এবং পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ভেটেরিনারি পেশার গুরুত্ব আরও বেড়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, একটি সুস্থ জাতি গঠনে নিরাপদ খাদ্য ও সুস্থ প্রাণিসম্পদের বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যে দক্ষ ও মানবিক ভেটেরিনারি পেশাজীবী গড়ে তুলতে সিকৃবি কাজ করে যাচ্ছে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা ভেটেরিনারি চিকিৎসা, গবেষণা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, বিশ্ব ভেটেরিনারি দিবস উদযাপনের মাধ্যমে প্রাণীর স্বাস্থ্য ও কল্যাণ নিশ্চিত করা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং ভেটেরিনারিয়ানদের অবদানের যথাযথ স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।
