বাকৃবিতে ২৮তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সনদ বিতরণ অনুষ্ঠিত
বাকৃবি প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৫ মে ২০২৬ | ২৩:১০ | আপডেট: ০৫ মে ২০২৬ | ২৩:১০
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের জ্ঞান ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) ২৮তম বুনয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সনদ বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েট ট্রেনিং ইন্সটিটিউটের (জিটিআই) শ্রেণীকক্ষে ওই সনদ বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অর্থায়নে এবং জিটিআই এর ব্যবস্থাপনায় ১২ এপ্রিল থেকে ০৫ মে পর্যন্ত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে দেশের ২৪টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫ জন কর্মকর্তা প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশগ্রহণ করছিলেন।
অনুষ্ঠানে 'প্রেরণা-২৮' নামক স্মরণিকার মোড়ক উম্মোচন করা হয়। এসময় দলগত উপস্থাপনায় সেরা গ্রুপ হিসেবে পুরস্কার অর্জন করেন গ্রুপ অন্বেষণ ও অদম্য-৫। এছাড়াও সেরা প্রশিক্ষণার্থীদের পুরস্কার প্রদান করা হয়।
জিটিআই পরিচালক অধ্যাপক ড. মো মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হুমায়ূন কবির এবং রেজিস্ট্রার ড. মো. হেলাল উদ্দিন, প্রশিক্ষণের কো- অর্ডিনেটর হিসেবে ছিলেন অধ্যাপক ড. বেনতুল মাওয়া।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শাখার পরিচালকসহ প্রশিক্ষণার্থীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতির বক্তব্যে জিটিআই পরিচালক অধ্যাপক ড. মো মোজাম্মেল হক বলেন, আমরা এই ২৫ দিনে যা যা করেছি সব প্রশিক্ষণের অংশ। এই প্রশিক্ষণে ইতিবাচক যা যা পেয়েছেন সব কাজে লাগবেন। এমন প্রশিক্ষণ আরও আয়োজন করার জন্য আমরা ইউজিসির কাছে লিখবো।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, বর্তমান বিশ্বে জ্ঞান, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বই একজন কর্মকর্তার মূল শক্তি। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমকে গতিশীল, স্বচ্ছ ও কার্যকর করতে দক্ষ মানবসম্পদের বিকল্প নেই। আমি বিশ্বাস করি, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আপনারা যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন, তা নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
তিনি আরও বলেন, এই প্রশিক্ষণ শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি আপনাদের দৃষ্টিভঙ্গিকে আরও বিস্তৃত করেছে, দায়িত্ববোধকে আরও সুসংহত করেছে এবং আপনাদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও যোগাযোগের একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করেছে। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আগত সহকর্মীদের সঙ্গে এই মতবিনিময় ভবিষ্যতে কাজের ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আমি আশা করি।।
