রবিবার, ০২ আগস্ট ২০২৬

বাকৃবিতে ব্র্যাক-এবিজি এআই গবেষণা প্রকল্পের সমাপনী, ১৯৭ শিক্ষার্থীকে সনদ প্রদান

বাকৃবি প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০১ আগস্ট ২০২৬ | ১৮:৪৬ | আপডেট: ০১ আগস্ট ২০২৬ | ১৮:৪৬

দেশের গবাদিপশুর কৃত্রিম প্রজনন বাজারের বাস্তব অবস্থা পর্যালোচনার লক্ষ্যে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) ‘ব্র্যাক - এনিমেল ব্রিডিং এন্ড জেনেটিক্স আর্টিফিশিয়াল ইনসেমিনেশন (এবিজি এআই) মার্কেট সার্ভে’ শীর্ষক গবেষণা প্রকল্পের সমাপনী, শিক্ষার্থীদের সনদ বিতরণ ও প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।​শনিবার (১ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পশুপালন অনুষদের গ্যালারিতে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

​অনুষ্ঠানে প্রকল্পের প্রধান গবেষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনিমেল ব্রিডিং এন্ড জেনেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। এছাড়া সহ-গবেষক অধ্যাপক ড. মো. রুহুল আমিন, বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. শরীফুল ইসলামসহ প্রকল্পে সম্পৃক্ত স্নাতকোত্তর ও স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

​প্রকল্পের সার্বিক বিষয়ে সহ-গবেষক অধ্যাপক ড. মো. রুহুল আমিন বলেন, '২০২৩ সালে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের আওতায় কৃত্রিম প্রজনন ক্ষেত্রের সুযোগ, সম্ভাবনা ও অসঙ্গতি তুলে ধরতে মাঠপর্যায়ে একটি বিস্তৃত জরিপ পরিচালনা করা হয়। গবেষণার অংশ হিসেবে দেশের ৮টি বিভাগের মোট ৭ হাজার ১০০ জন খামারি এবং বিভিন্ন ব্রিডিং কোম্পানির ৭৫০ জন প্রজনন কর্মীর কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পাশাপাশি ৮টি বিভাগীয় কর্মশালায় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের (ডিএলএস) ১৬০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, এনজিও ও ব্রিডিং কোম্পানির ১০০ জন প্রতিনিধি অংশ নেন।'

উল্লেখ্য যে, ​তথ্য সংগ্রহের কাজে অংশগ্রহণ করেন পশুপালন অনুষদের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ১৭১ জন, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ১৪ জন এবং মাস্টার্স পর্যায়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী। মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ ও গবেষণায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মোট ১৯৭ জন শিক্ষার্থীকে আনুষ্ঠানিকভাবে সনদপত্র প্রদান করা হয়।

​সমাপনী বক্তব্যে প্রধান গবেষক অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, 'এই সার্ভের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা, কৃষকদের প্রত্যাশা, সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের কার্যক্রম এবং প্রাণিসম্পদ খাতের সফলতা ও সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে। শ্রমসাধ্য এই গবেষণা অভিজ্ঞতা শিক্ষার্থীদের দক্ষ গবেষক হিসেবে গড়ে তুলবে এবং দেশের প্রাণিসম্পদ উৎপাদনে বড় ভূমিকা রাখবে। ক্রমবর্ধমান প্রাণিজ খাদ্যের চাহিদা পূরণে আমাদের টেকসই ও উন্নত জাত উদ্ভাবনের ওপর জোর দিতে হবে, যা ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান ও উচ্চশিক্ষার সুযোগও তৈরি করবে।'

আরও পড়ুন

© 2026 Krishi Barta
ফলো করুন কৃষি বার্তা - খবর