বাকৃবিতে জমজমাট কোরবানির পশুর হাট, চলবে ঈদের দিন সকাল পর্যন্ত
বাকৃবি প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৭ মে ২০২৬ | ১০:৪৩ | আপডেট: ২৭ মে ২০২৬ | ১০:৪৩
বাংলাদেশে বৃহস্পতিবার (২৮ মে) মুসলিমদের অন্যতম পবিত্র ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হবে। এই ঈদকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন জায়গায় জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। বিভিন্ন এলাকার মতো বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) চত্বরে বসেছে জমজমাট এক কোরবানির পশুর হাট। ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের (মমেক) ইজারা ভুক্ত এ হাট শুরু হয়েছে গত ২৪ মে শুরু হয়েছে চলবে ঈদের দিন সকাল পর্যন্ত।
বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েট ট্রেনিং ইনিষ্টিটিউটের (জিটিআই) মাঠে অবস্থিত অস্থায়ী কোরবানির পশুর হাট বসেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও স্থানীয় লোকজনের সুবিধার্থে প্রতিবছরের ন্যায় এবারেও জমে উঠেছে। এ আয়োজন ও হাট পরিচালনায় সহযোগিতা করছে স্থানীয় সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন 'পূর্বাশা ক্লাব'।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জিটিআই মাঠ ও শাহাজালাল হলসংলগ্ন রাস্তায় জমে উঠেছে ছোট-বড়-মাঝারি সব ধরনের পশুর বেচাকেনা। উন্নত জাতের ষাঁড়, ছাগলসহ বিভিন্ন ধরনের পশু দেখতে ভিড় করছেন ক্রেতারা। বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা তুলনামূলক বেশি।
আয়োজকরা জানায়, ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের (মমেক) ইজারাভুক্ত ও বাকৃবির সহযোগিতায় প্রতিবছরের ন্যায় এবারও হাট বসেছে। বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ২২ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত। আশপাশে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে এই হাটের অনুমতি দেওয়া হয়। শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সুবিধার কথা চিন্তা করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে যাতে তাদের দূরে যেতে না হয়। হাটে ক্রেতারাও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখা যাচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে চালু হওয়া এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয় খামারি ও ক্রেতারা। তারা জানান, এখানে হাট বসার কারণে দূরে হাটে যেতে হয়না। চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত পশু রয়েছে এখানে, দেখেশুনে কিনতে পারা যায়। এতে সময়, শ্রম ও টাকা উভয় সাশ্রয়ী হচ্ছে।
হাট বসানোর বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. মো. হেলাল উদ্দীন বলেন, 'কোরবানির পশুর হাটটি ঈদের দিন সকাল পর্যন্ত স্থায়ী হবে। এটি মূলত ২২ নম্বর ওয়ার্ডের হাট এবং স্থানীয় পূর্বাশা ক্লাব এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় রয়েছে। ২২ নম্বর ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে এই হাটের অনুমতি দেওয়া হয়। আশপাশে বড় জায়গা নাই, সিটি কর্পোরেশনের অনুমতি সাপেক্ষে অনেক বছর যাবৎ হাট বসে আসছে।'
ইজারার বিষয়ে তিনি আরও বলেন, 'সিটি কর্পোরেশন থেকে ৪ লক্ষ ২ হাজার টাকায় আয়োজকরা এটি ইজারা নিয়েছে। মাঠ ব্যবহার করার আয়োজকরা বিশ্ববিদ্যালয়কে সম্মানী প্রদান করে।
হাটের শৃঙ্খলা রক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি মনিটরিং কমিটি কাজ করছে এবং হাট শেষে পুরো এলাকা পরিষ্কার করবে আয়োজক ক্লাব।
